বুনো হাঁস গল্প প্রশ্ন উত্তর ২০২৪

বুনো হাঁস গল্প প্রশ্ন উত্তর ২০২৪

প্রিয় ছাত্র ছাত্রী আজকের বিষয় হচ্ছে আজকের বিষয় হচ্ছে পঞ্চম শ্রেণীর পাতাবাহার বই এর বুনো হাঁস গল্প প্রশ্ন উত্তর ২০২৪ নিয়ে হাজির হয়েছি । আজকের বুনো হাঁস গল্প প্রশ্ন উত্তর ২০২৪ এর মধ্যে থাকছে বড়ো প্রশ্নোত্তর, সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর, অতি সংক্ষিপ্ত। তাই বুনো হাঁস গল্প প্রশ্ন উত্তর ২০২৪ ভালো করে পড়ে দেখুন ।

বুনো হাঁস গল্প প্রশ্ন উত্তর ২০২৪

লেখিকা : লীলা মজুমদার

 

বুনো হাঁস গল্প প্রশ্ন উত্তর ২০২৪

১. ঠিক শব্দটি বেছে নিয়ে বাক্যটি আবার লেখো :

১.১ আকাশের দিকে তাকালে ভূমি দেখ ___ (ঘরবাড়ি গাছপালা / পোকামাকড় / মেঘ-রোদ্দুর)।

উত্তর : আকাশের দিকে তাকালে আমি দেখি মেঘ-রোদ্দুর।

১.২ হিমালয় ছাড়া ভারতবর্ষের আরও একটি পর্বতের নাম হল ___ (কিলিমানজারো/আরাবল্লী/আন্দিজ /রবি)

উত্তর : হিমালয় ছাড়া ভারতবর্ষের আরও একটি পর্বতের নাম হল আরাবল্লী।

১.৩ এক রকমের হাঁসের নাম হল (সোনা / কুনো / কালি/বালি/) হাঁস।

উত্তর : এক রকমের হাঁসের নাম হল বালি হাঁস।

১.৪ পাখির ডানার (বোঁ বোঁ/শন শন/ শোঁ শোঁ / গাঁক থাক) শব্দ শোনা যায়।

উত্তর : পাখির ডানার শোঁ শোঁ শব্দ শোনা যায়।

২. ক এর সঙ্গে খ স্তম্ভ মিলিয়ে লেখো 

 

   ক                  খ

১. বরফ    ১. হিমানি

২. বুনো     ২. বন্য

৩. কুড়ি     ৩. কলি

৪. চঞ্চল     ৪. অধীর

৫. আরম্ভ    ৫. শুরু

৩. সঙ্গী ( ঙ্+ গ্)—এমন ‘ভগ’ রয়েছে—এরকম পাঁচটি শব্দ লেখো

উত্তর : অঙ্গ, বঙ্গ, কলিঙ্গা, রক্ষা, অনলা—এই পাঁচটি শব্দের সবেতেই ‘ঙ্গ’ রয়েছে।

৪. ঘটনাক্রম সাজিয়ে লেখো : 

 

৪.১ দেশে ফিরে ওরা বাসা বাঁধবে, বাচ্চা তুলবে।

৪.২ হাঁসের ডানা জখম হল।

৪.৩ সারা শীত কেটে গেল।

৪.৪ বুনো হাঁস দক্ষিণ দিকে উড়ে যেত।

৪.৫ আরেকটা বুনো হাঁসও নেমে এসে এটার চারদিকে উড়ে বেড়াচ্ছে।

উত্তর :

৪.১ বুনো হাঁস দক্ষিণ দিকে উড়ে যেত।

৪.২ হাঁসের ডানা জখম হল।

৪.৩ আরেকটা বুনো হাসও নেমে এসে এটার চারদিকে উড়ে বেড়াচ্ছে।

৪.৪ সারা শীত কেটে গেল।

৪.৫দেশে ফিরে ওরা বাসা বাঁধবে, বাচ্চা তুলবে।

৫. শুন্যস্থান পূরণ করো

৫.১ ____একটা বরফে ঢাকা নির্জন জায়গাতে আমাদের____ একটা ঘটি ছিল

উত্তর : লাডাকের একটা বরফে ঢাকা নির্জন জায়গাতে আমাদের জোয়ানদের একটা ঘাঁটি ছিল।

৫.২ জোয়ানদের ____রাখার খালি জায়গা ছিল।

উত্তর : জোয়ানদের মুরগি রাখার খালি জায়গা ছিল।

৫.৩ আস্তে আস্তে হাঁসের _____সারল।

উত্তর: আস্তে আস্তে হাঁসের ডানা সারল।

৫.৪ দলে দলে তিরের ফলার আকারে, কেবলই ___দিকে উড়ে চলেছে।

উত্তর : দলে দলে বুনো হাঁস তিরের ফলার আকারে, কেবলই উত্তর দিকে উড়ে চলেছে।

৫.৫ _____গাছে পাতার আর ফুলে ধরল।

উত্তর : ন্যাড়া গাছে পাতার আর ফুলে কুঁড়ি ধরল।

৬. শব্দঝুড়ি থেকে বিশেষ্য ও বিশেষণ আলাদা করে লেখো :

 

বিশেষ্য :       বিশেষণ :

১. বেচারি।         ১. বুনো

২. লাডাক         ২. যখন

৩. শীতকাল      ৩. গরম

৪. বরফ.      ৪. ন্যাড়া

৫. তাবু       ৫. নির্জন

৬. সঙ্গী।      ৬. চঞ্চল

৭. ক্রিয়ার নীচে দাগ দাও

 

৭.১ বাড়ির জন্য ওদের মন কেমন করত।

উত্তর : বাড়ির জন্য ওদের মন কেমন করত।

৭.২ পাখিরা আবার আসতে আরম্ভ করল।

উত্তর : পাখিরা আবার আসতে আরম্ভ করল।

৭.৩ দেশে ফিরে ওরা বাসা বাঁধবে।

উত্তর : দেশে ফিরে ওরা বাসা বাঁধবে।

৭.৪ সেখানে বুনো হাঁসরা রইল।

উত্তর : সেখানে বুনো হাঁসরা রইল।

৭.৫ নিরাপদে তাদের শীত কাটে।

উত্তর : নিরাপদে তাদের শীত কাটে।

৮. বাক্য বাড়াও

৮.১ একদিন একটা বুনো হাঁস দল ছেড়ে নেমে পড়ল। (কোথায় নেমে পড়ল ?)

উত্তর : একদিন একটা বুনো হাঁস দল ছেড়ে নীচে নেমে পড়ল।

৮.২ ওরা গরম দেশে শীত কাটিয়ে আবার ফিরে যাচ্ছে। (কোথায় এবং কখন ফিরে যাচ্ছে?)

উত্তর : ওরা গরম দেশে শীত কাটিয়ে শীতের শেষে নিজেদের দেশে আবার ফিরে যাচ্ছে।

৮.৩ পাহাড়ের বরফ গলতে শুরু করল। (কোথাকার পাহাড়?)

উত্তর : নীচের পাহাড়ের বরফ গলতে শুরু করল।

৮.৪ আবার ঝোপঝাপ দেখা গেল। (কেমন ঝোপঝাপ?)

উত্তর : আবার সবুজ ঝোপঝাপ দেখা গেল।

৮.৫ গাছে পাতার আর ফুলের কুঁড়ি ধরল। (কেমন গাছে ?)

উত্তর : ন্যাড়া গাছে পাতার আর ফুলের কুঁড়ি ধরল।

বুনো হাঁস গল্প প্রশ্ন উত্তর ২০২৪ : দু এক কথায় উত্তর দাও

১। আকাশের দিকে চেয়ে দ্যাখো-কে একথা বলেছেন?

উত্তর : ‘বুনো হাঁস’ গদ্যের লেখিকা লীলা মজুমদার আকাশের দিকে চেয়ে দেখতে বলেছেন।

২। বুনো হাঁসগুলি যখন আকাশে উড়ে চলে তখন দেখতে কীরকম লাগে?

উত্তর : আকাশে একসলো উড়ন্ত অবস্থায় তাদের দেখতে তিরের ফলার মতো লাগে।

৩। বুনো হাঁসেরা কোথায় উড়ে চলেছে।

উত্তর : বুনো হাঁসেরা কেবলই উত্তর দিকে নিজেদের দেশে উড়ে চলেছে।

৪। বুনো হাঁসদের প্রকৃতি কেমন?

উত্তর : বুনো হাঁসদের বেশি গরম সহ্য হয় না, আবার বেশি শীতও সহ্য হয় না।

৫। ভিরের ফলার মতো আকাশে উড়ে উড়ে বুনো হাঁসগুলো কোন দিকে যাচ্ছে?

উত্তর : বুনো হাঁসগুলো তিরের ফলার মতো উড়ে উড়ে উত্তর দিকে যাচ্ছে।

৬। বুনো হাঁসগুলো উড়ে যাওয়ার সময় কোনো শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না কেন?

উত্তর : বুনো হাঁসগুলো আকাশের অনেক উঁচুতে উড়ছিল বলে কোনো শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না।

৭। আকাশে উড়ে যাওয়া বুনো হাঁসগুলোর শুধু কী শোনা যাচ্ছে?

উত্তর : বুনো হাঁসগুলোর শুধু ডানার শৌশো শব্দ শোনা যাচ্ছিল, আবার কারো মুখ থেকে পাঁক পাঁক শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল।

৮। বুনো হাঁসেরা কী কাটিয়ে আবার নিজেদের দেশে ফিরে যাচ্ছ?

উত্তর : বুনো হাঁসেরা গরম দেশে শীত কাটিয়ে শীতের শেষে আবার নিজেদের দেশে ফিরে যাচ্ছিল।

৯। বুনো হাঁসগুলোর কী সয় না ?

উত্তর: ওদের বেশি গরমও সয় না, আবার বেশি শীতত সয় না।

১০। বুনো হাঁসেদের কেউ কেউ কোথা থেকে আসত?

উত্তর : ওদের কেউ কেউ হিমালয়ের উত্তর দিক থেকে, বরফের পাহাড় পেরিয়ে আসতো ।

১১। অনেক বুনো হাঁস ভারতের মাটি পার হয়ে কোথায় যায় ?

উত্তর : ভারতের মাটি পার হয়ে অনেকে বুনো হাঁস সমুদ্রের উপর দিয়ে উড়ে উড়ে ছোটো ছোটো

১২। কোথায় মানুষের বাসস্থান নেই?

উত্তর : ভারতের মাটি পার হয়ে সমুদ্রের উপরে ছোটো ছোটো দ্বীপগুলিতে মানুষের বাসস্থান নেই।

১৩। কোন দেশে আমাদের শীতের সময় গরম, আবার গরমের সময় শীত

উত্তর : পৃথিবীর দক্ষিণের আধখানায় আমাদের শীতের সময় গরম, গরমের সময় শীত।।

১৪। লাডাকের কোথায় আমাদের জোয়ানদের ঘাঁটি ছিল?

উত্তর : লাড়াকের একটা বরফে ঢাকা জায়গাতে আমাদের জোয়ানদের একটা ঘাঁটি ছিল।

১৫। কোন সময় কোথা দিয়ে বুনো হাঁস দলে দলে দক্ষিণ দিকে উড়ে যেত?

উত্তর : শীতের সময় মাথার উপর দিয়ে দলে দলে বুনো হাঁস দক্ষিণ দিকে উড়ে যেত।

১৬। বাড়ির জন্য কাদের মন খারাপ করত?

উত্তর : লাডাকে বরফে ঢাকা জায়গাতে ঘাঁটিতে থাকা জোয়ানদের মন খারাপ করত।

১৭। লাডাকে বরফে ঢাকা জায়গার ঘাঁটিতে থাকা জোয়ানদের কাছে কী পৌঁছোত না।

উত্তর : তাদের আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে চিঠিপত্র বিশেষ পৌঁছোত না।

১৮। লাডাকের জোয়ানরা খবরাখবর পেত কীভাবে?

উত্তর : শুধু রেডিয়োতে তারা সামানা খবর পেত।

১৯। একদিন জোয়ানদের ঘাঁটিতে কী নেমে পড়ল?

উত্তর : দক্ষিণ দিকে উড়ে যাওয়া একটা বুনো হাঁস দল ছেড়ে জোয়ানদের ঘাঁটিতে নেয়ে পড়ল।

২০। দলছাড়া উড়ন্ত বুনো হাঁসটা নীচে নেমে পড়ে কী করছিল?

উত্তর : একটা ঝোপের উপর নেমে পড়ে পরথর করে কাপছিল।

বুনো হাঁস গল্প প্রশ্ন উত্তর ২০২৪ : সংক্ষেপে উত্তর দাও

 

২। বুনো হাঁসেরা কোথা থেকে কোথা ফিরছে ?

উত্তর : তারা গরম দেশে শীত কাটিয়ে এখন শীতের শেষে আবার নিজেদের দেশে ফিরছে।

৩|জোয়ানদের অবস্থা নির্জন জায়গায় কেমন কাটত?

উত্তর : বাড়ির জন্য জোয়ানদের মন কেমন করত। তারা চিঠিপত্র তেমন পেত না। শুধু রেডিয়োর খবরটাই শুনতে পেত।

৪। বুনো হাঁসগুলো কোথা থেকে কেন নিজেদের দেশে ফিরে যাচ্ছে ?

উত্তর : বুনো হাঁসগুলো গরম দেশে শীত কাটিয়ে এখন আবার শীতের শেষে নিজেদের দেশে ফিরে যাচ্ছে। কারণ ওদের বেশি গরমও সহ্য হয় না, আবার বেশি শীত সহ্য হয় না।

৫। বুনো হাঁসেদের অনেকে কোথায় গিয়েছিল ?

উত্তর : বুনো হাঁসেদের কেউ কেউ হিমালয়ের উত্তর দিক থেকে বরফের পাহাড় পেরিয়ে আসে। অনেকে নাকি ভারতের মাটি পার হয়ে, সমুদ্রের উপর দিয়ে উড়ে ছোটো ছোটো দ্বীপে গিয়ে নামে।

৬। কোনো কোনো বুনো হাঁস সুমদ্রের উপর দিয়ে উড়ে ছোটো ছোটো দ্বীপে গিয়ে নামে কেন ?

উত্তর : সমুদ্রের মাঝে ছোটো ছোটো দ্বীপে গিয়ে কোনো কোনো বুনো হাঁস নামে, কারণ সেখানে কোনো মানুষের বসবাস নেই। নিরাপদে সেখানে বুনো হাঁসগুলোর শীত কেটে যায়।

৭। বাড়ির জন্য কাদের কেন মন খারাপ করত?

উত্তর : হিমালয়ে লাভারের একটা বরফে ঢাকা নির্জন জায়গাতে আমাদের জোয়ানদের একটা ঘাঁটি ছিল। সেই ঘাঁটির জোয়ানদের বাড়ির জন্য মন খারাপ করত। কারণ সেখানে চিঠিপত্র বিশেষ পৌছোত না, শুধু রেডিয়োতে তারা সামান্য যেটুকু খবর পেত।

৮। একদিন উত্তর থেকে দক্ষিণে উড়ে যাওয়া দুটো বুনো হাস কী করল?

উত্তর : উত্তর থেকে দক্ষিণে দলের সাক্ষ্যে উড়ে যাওয়া দুটো বুনো হাঁসের একটা প্রথমে দল ছেড়ে নীচে লাড়াকের মাটিতে নেমে পড়ল। একটা ঝোপের উপর নেমে থরথর করে কাপতে লাগল। তারপর আর একটা বুনো হাঁসও নেমে এসে প্রথমটার চারপাশে ঘুরে বেড়াতে লাগল।

৯। জোয়ানরা প্রথম হাঁসটিকে তাবুতে নিয়ে এলে কী ঘটল ?

উত্তর: প্রথম হাঁসটিকে জোয়ানরা তাঁবুতে নিয়ে এলে অন্য হাঁসটা প্রথমে তেড়ে এসেছিল, তারপর ওদের সঙ্গে সে নিজেই গিয়ে তাবুতে ঢুকল। প্রথম হাঁসটাকে তাবুর ভিতরে ছেড়ে দিতেই দেখা গেল তার ডানা জখম হয়েছে।

১০। বুনো হাঁসদুটো কোথায় কীভাবে রইল ?

উত্তর : ডানা জখম হওয়া বুনো হাঁসটা উড়তে পারছিল না বলে জোয়ানদের মুরগি রাখার খালি জায়গায় রইল। সেখানে অন্য হাঁসটাও থেকে গেল। তারা টিনের মাছ, তরকারি, ভুট্টা, ভাত, ফলের কুচি ইত্যাদি খেয়ে থাকতে লাগল।

১১। সারা শীতকাল দুটি হাঁস জোয়ানদের তাবুতে থাকতে থাকতে কী দেখা গেল ?

উত্তর : দুটি হাঁস সারা শীতকাল সেখানে থাকতে থাকতে আস্তে আস্তে জখম হওয়া হাঁসটার ডানা সেরে উঠল। তখন সে একটু করে উড়তে চেষ্টা করত। তাঁবুর ছাদ অবধি উঠে সে আবার যুগ করে পড়ে যেত।

১২। কখন কোন গাছে পাতা আর ফুলের কুঁড়ি ধরল ?

উত্তর : সারা শীতকাল কেটে গেলে, পাহাড়ের বরফ গলতে শুরু করলে আবার সবুজ ঝোপঝাপ দেখা গেল। না গাছে কচিকচি পাতা আর ফুলের কুঁড়ি দেখা গেল।

১৩। ন্যাড়া গাছে পাতার আর ফুলের কুঁড়ি ধরলে কারা কী করল?

উত্তর : ন্যাড়া গাছে পাতার আর ফুলের কুঁড়ি ধরলে যেসব বুনো হাঁস উত্তর দিক থেকে দক্ষিণে গিয়েছিল তারা আবার ফিরে আসতে লাগল। এবার দক্ষিণ থেকে উত্তরে। দেশে ফিরে ওরা বাসা বাঁধবে, বাচ্চা তুলবে।

১৪। জোয়ানদের তাবু থেকে কখন দুটি হাঁস উড়ে চলে গেল?

উত্তর : উত্তর থেকে দক্ষিণে শীত কাটাতে যাওয়া বুনো হাঁসের দল যখন শীত কেটে গেলে মাথার উপর দিয়ে উড়ে উড়ে আবার দক্ষিণ থেকে উত্তরে তাদের দেশে ফিরতে লাগল তখন জোয়ানদের তাঁবুতে থাকা হাঁসদুটিও উড়ে চলে গেল।

১৫। কখন জোয়ানদের বাড়ি ফেরার সময় হয়ে এল?

উত্তর : শীত কেটে গেলে দক্ষিণ থেকে উত্তরে নিজেদের দেশে বুনো হাঁসের দল বাসা বাঁধার জন্য, বাচ্চা তোলার জন্য উড়ে যেতে লাগল। সেই সময় লাভাকের তাঁবুতে থাকা জোয়ানদেরও বাড়ি ফেরার সময় হয়ে এল।

বুনো হাঁস গল্প প্রশ্ন উত্তর ২০২৪

দীর্ঘধর্মী প্রশ্ন উত্তর

 

১. হাসেরা কীভাবে কোথায়, কেন উড়ে চলেছে?

উত্তর: সেরা হিমালয়ের উত্তর দিক থেকে বরফের পাহাড় পেরিয়ে উড়ে আসে। তারা ভারতের মাটি পার করে, সমুদ্রের ওপর দিয়ে উড়ে দক্ষিণে ছোটো ছোটো বীপে গিয়ে নামে। সেখানে মানুষের বাস নেই বলে নিরাপদে তাদের শীত কাটে।

২। জোয়ানরা আহত বুনো হাঁসটাকে কী করল ?

উত্তর : জোয়ানরা আহত বুনো ইসিটাকে কোলের ওপর পড়তে দেখে তাদের তাবুতে নিয়ে এল। ইসিটাকে ছেড়ে নিতেই তারা দেখল, হাঁসটার ডানা জখম হয়েছে, সে উড়তে পারছে না। ভাষা মুরগি রাখার খালি জায়গায় হাসগুলোকে রেখে দিল। সেবা বহু কাল। চিনের কাটা, ফলের কুচি এসব তাদের খেতে দিল।

৩। কখন দুটো বুনো হাঁস আকাশে উড়ে গেল?

উত্তর : সারা শীত-পেরিয়ে যাওয়ার পর যখন জখন এনটার ডানা সেরে গেল, যখন সবুজ ঝোপঝাপ তৈরি হল, পাতায় ফুলের কুঁড়ি বরল তখন দক্ষিণ থেকে উত্তরে কানা বাঁধার জন্য এবং বাচ্চা তোলার জন্য তারা দুজনেই উড়ে গেল।

৪। কারা কখন গাক গাক করে?

উত্তর : বুনো হাঁসেরা বেশি গরম বা বেশি শীত করতে পারে না বলে শীতের সময় তাদের দেশে চলে যাব। তারা দল বেঁধে আকাশে ভিতের কলার মতো উড়ে উড়ে একবার উত্তর থেকে দক্ষিণে যায়। গরমের দেশে শীত কাটিয়ে শীতের শেষে একই ভাবে আবার উড়ে উড়ে নিজেদের দেশে দক্ষিণ থেকে উত্তরে চলে যায়। তারা এত উঁচুতে উড়ে উড়ে যায় যে কোনো শরু শোনা যায় না। শুধু তাদের ডানার শোঁ শোঁ শব্দ শোনা যায়। উড়ে যাওয়ার সময় কেউ কেউ আবার বলে ।

৫। ছোটো ছোটো দ্বীপে কে কী কারণে গিয়ে নামে ?

উত্তর : পৃথিবীর দক্ষিণের ভাবখানায় আমাদের শীতের সময় গরন, আবার গরমের সময় শীত দেখা যায়। উত্তর দিকের দেশের বুনো হাঁসেরা শীত বা গরম বেশি হইতে পারে না বলে শীতের সময় গরমের দেশে দল কেঁদে উঁচুতে উড়ে চলে যায়। তাদের কেউ কেউ হিমালয়ের উত্তর দিক থেকে পাহাড় পেরিয়ে চলে আসে। ভারতের মাটি পর

৬। মাথার উপর দিয়ে দলে দলে দক্ষিণে উড়ে যাওয়া বুনো হাঁসদের দেখে কাদের কেন মন খারাপ হয় ?

উত্তর : লাভাবের বরফে ঢাকা একটা নির্জন জায়গাতে ছিল তখন আমাদের জোয়ানদের ঘাঁটি। জোয়ানদের মাথার উপর দিয়ে শীতের শুরুতে বুনো হাঁসের দল উত্তর থেকে দক্ষিণে উড়ে যেত। কারণ তাদের বেশি গরমও নয় না, আবার বেশি শীতও হয় না। তারা শীতের সময় উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকের দেশে দল বেঁধে উড়ে উড়ে গিয়ে থাকে। আপাত সরামের সময় শীতের দেশে ফিরে যায়। পাহাড়ে বাস করা বুনো হাঁসেদের এইভাবে দল বেঁধে উড়ে যাওয়া দেখে জোয়ানদের নিজেদের বাড়ির জন্য মন খারাপ করত। কারণ তাদের কাছে তখন চিঠিপত্র বিশেষ পৌঁছোত না। রেডিয়োতে সামান্য খবর জানতে পারত। হয়ে সমুদ্রের উপর দিয়ে উড়ে ছোটো দ্বীপে গিয়ে নামে। সেখানে কোনো মানুষ বসবাস করে না। তাই তারা সেখাে নিরাপদে তাদের শীত কাটায়

৭। তাই বেচারি উড়তে পারছিল না। কার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর : হিমালয়ের বরফের দেশে বাস করা বুনো হাঁসেরা বেশি গরম অথবা বেশি শীত সহ্য করতে পারে না বা শীতের সময় দক্ষিণ দিকে যায়, আবার গরমের সময় উত্তর দিকে দল বেঁধে উড়ে উড়ে নিজেদের দেশে ফিরে যায়। একবার এইভাবে শীতের শুরুতে একদল বুনো হাঁস উত্তর থেকে দক্ষিণে উড়ে উড়ে যাচ্ছিল। লাভারের বরফে ঢাকা একটা নির্জন গাতে আমাদের জোয়ানদের তাঁবুর কাছে হঠাৎ একটা বুনো হাঁস নীচে ঝোপের উপর নেমে থরথর করে কাল। জোয়ানরা হাঁসটিকে তাদের তাঁবুতে নিয়ে এসে দেখল তার ডানা এমনই জখম হয়েছে যে বেচারা উড়তে পারছিল।

৮। তার ছাদ অবধি উঠে, কে আবার কেন ধূপ করে পড়ে যেত?

উত্তর : হিমালয়ের বরফের দেশে থাকা বুনো হাঁসের দল শীত কাটাতে গরমের দেশে উড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ একটা পাখি ডানা জিশন হয়ে নীচে পড়ে গেল। সেখানে ছিল লাড়াকে আমাদের জোয়ানদের তাঁবু। পাখনার চোট লাগা বেচারা পাখিটা উড়তে পারছিল না। তাকে জোয়ানরা তাঁবুতে নিয়ে এসে সেবাযত্ন করতে লাগল। জখম হওয়া হাঁসটার সঙ্গে আরও একটা হাঁস ইজা করে নেমে এসেছিল। সারাটা শীতকাল জোয়ানরা খুব আনন্দের কাজ ভেবে নিয়ে হাঁসদুটিকে দেখাশোনা করতে লাগল ইসটার জানা ধীরে ধীরে সেরে উঠলে সে একটু একটু উড়তে চেষ্টা করল। কিন্তু তাঁবুর স্থান অবধি উঠে আবার ধুপ করে পড়ে যেত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *